বিশেষ আকর্ষণ

সাদা বোঁদে

কামারপুকুরের সাদা বোঁদে পশ্চিমবঙ্গের স্বতন্ত্র ও ঐতিহ্যবাহী মিষ্টি।ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংসদেবের অত্যন্ত প্রিয় ছিল।

রামকৃষ্ণ জন্মোৎসব

ফাল্গুন মাসে রামকৃষ্ণদেবের আবির্ভাব তিথিতে ১৫ দিন ধরে মেলা চলে কামারপুকুরে

বিড়িকলাইের জিলিপি

কামারপুকুরের বিড়িকলাইের জিলিপি পশ্চিমবঙ্গের স্বতন্ত্র ও ঐতিহ্যবাহী মিষ্টি।

জগদ্ধাত্রী পূজা

মা স্বয়ং এই পূজা শুরু করে গিয়েছিলেন। তিন দিন ধরে পূজা হয়। প্রথম দিন ষোড়োশপচারে পূজা হয়।

কামারপুকুর মঠে ঠাকুর দর্শনের সময়

এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর –

সকাল ৪টা থেকে  দুপুর ১১.৩০টা  বিকাল ৪টা থেকে রাত ৯টা 

অক্টোবর থেকে মার্চ –

সকাল ৪টা৩০ থেকে  দুপুর ১১.৩০টা বিকাল ৩টা৩০ থেকে রাত ৮টা৩০

জয়রামবাটী মঠে মাতৃমন্দির দর্শনের সময়

এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর –

সকাল ৪টা থেকে  দুপুর ১১টা  বিকাল ৪টা থেকে রাত টা 

অক্টোবর থেকে মার্চ –

সকাল ৪টা৩০ থেকে  দুপুর ১১.৩০টা বিকাল ৩টা৩০ থেকে রাত ৮টা৩০

কামারপুকুর জয়রামবাটী দর্শন

নামকরণ

কামারপুকুর গ্রামের আদি নাম সুখলালগঞ্জ। গ্রামের আদি জমিদার সুখলাল গোস্বামীর নামেই এই নাম সুখলালগঞ্জ, মুকুন্দপুর, শ্রীপুর, মধুবাটী ও কামারপুকুর — এই পাঁচখানি ছোটো গ্রাম পরস্পরের খুব কাছাকাছি অবস্থিত বলে বহুদিন ধরে সকলের কাছে শুধুমাত্র কামারপুকুর গ্রাম নামেই অভিহিত হয়ে আসছে। অনেকের মতে, শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংসের ভিক্ষামাতা ধনী কামারিনীর পিতৃকুলের কোনো এক ব্যক্তিকে দিয়ে স্থানীয় শাসনকর্তা মানিকরাজা যে পুকুরটি খনন করিয়েছিলেন, তাকে কামারদের পুষ্করিনী নামে অভিহিত করত। এই নামটি থেকেই কামারপুকুর নামটির উদ্ভব ঘটে।

Get Membership by filling out the form Click Here

 

কামারপুকুর কথা

কামারপুকুর কথা

How To Reach Kamarpukur

প্রসাদ
দুপুরে ও রাতে ঠাকুরের ভোগ পাওয়া যায়। সম্পূর্ণ বিনামূল্যে সকল পূর্ণার্থীর উদ্দেশ্যেই এই নিরামিষ ভোগ বিতরণ করা হয়। তবে এর জন্য একটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ভোগের কুপন কাটতে হয়।

Top Places

ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণের বাস-ঘর

একসময়ে কামারপুকুরের প্রাঙ্গনের পশ্চিম দিকের দক্ষিণ মুখী ঘরে ঠাকুর বাস করতেন, বর্তমানে সেটি মন্দির প্রাঙ্গনের একটি অংশ। একদা ঠাকুর মা সারদা কে বলেছিলেন “আমার মৃত্যুর পরে, তুমি কামারপুকুরে থাকবে, সবুজ শাক সব্জী চাষ করবে, সহজ ভাবে জীবন যাপন করবে এবং ঈশ্বরের নাম নিয়ে তোমার দিন কাটাবে।

শ্রীরামকৃষ্ণদেবের মন্দির

ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণদেবের আর্বিভাব এবং তাঁর শিষ্য ও ভক্তদের এই পুণ্য স্থানে যাতায়াতের জন্য এই স্থানটি তীর্থস্থান হয়ে উঠেছে। সমগ্র পশ্চিমবঙ্গ, ভারতবর্ষ তথা পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ থেকে ভক্ত বৃন্দ আসেন এই স্থান পরিদর্শনের জন্য এবং নিজেদের আধ্যাত্মিক উন্নতি ঘটান।

রঘুবীরের মন্দির

কামারপুকুরের রঘুবীরের ঘরটি ছিল পূর্বমুখী। খড়ের ছাউনি আঁটা ঘরটির মেঝে এবং দেওয়াল ছিল মাটির। বর্তমানে রঘুবীরের মন্দিরটি ঐ একই স্থানে, একই পরিমাণ যায়গা নিয়ে তৈরী হয়েছে। এই মন্দিরের রঘুবীরের শালগ্রাম শিলা, মা শীতলার মাটির ঘট, রামেশ্বর শিবলিঙ্গ, নারায়ণ শালগ্রাম শিলা এবং একটি গোপালের চিত্র প্রতিদিন পূজিত হয়।

Best Resorts

রামকৃষ্ণ মঠ যাত্রীনিবাস

যে সমস্ত ভক্তরা গেস্ট হাউসে থাকতে চান তাঁরা টেলিফোনে অথবা ই-মেলের মাধ্যমে গেস্ট হাউসে থাকার অনুমতি চাইতে পারেন, আপনার প্রস্তাব অনুমোদিত হলে চিঠির মাধ্যমে আপনাকে জানানো হবে। গেস্ট হাউসের জন্য ভক্তরা মঠের অফিসে সকাল ৯.৩০ – ১১.৩০ পর্যন্ত অথবা বিকাল ৪.০০-৫.০০ পর্যন্ত যোগাযোগ করতে পারেন।
উৎসব অথবা ছুটির দিনে গেস্ট হাউসে থাকতে চাইলে রামকৃষ্ণ মঠের অধ্যক্ষের সঙ্গে তিন মাস আগে যোগাযোগ করতে হবে। দুটি, তিনটি অথবা পাঁচটি বেড যুক্ত রুম অথবা ভক্তবৃন্দরা অনেকে একসঙ্গে থাকলে ডরমেটরি( dormitories) পেতে পারেন।

Uniqueinfo Technology